হোলোগ্রাম ইন্টারঅ্যাকশনের সময় আবেগাপ্লুত হয়ে মোদী বলেন, 'আপনার সাথে সাক্ষাতের সুযোগ পাওয়া আমার জন্য পরম সৌভাগ্যের বিষয় ছিল। আজ দেশের জন্য আমি যে কাজগুলো করতে চাই, সেগুলোর জন্য আপনার আশীর্বাদ প্রার্থনা করছি।' মোদির বক্তব্যের জবাবে স্বামী চিন্ময়ানন্দের হোলোগ্রামটি তাকে ভারতের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দেখে সন্তোষ প্রকাশ করে এবং সমর্থন জানিয়ে বলে, 'ভারত তোমার সাথেই আছে, নরেন্দ্র।'
অনুষ্ঠানে সমবেত সুধীজন ও সাধু-সন্তদের উদ্দেশ্যে মোদি বলেন, 'এটি এক অনন্য আধ্যাত্মিক অভিজ্ঞতা। চিন্ময় মিশন কেবল একটি প্রতিষ্ঠান নয়, এটি 'চিন্ময় বিচার' বা ভাবাদর্শের প্রতীক।' তিনি আরও বলেন, প্রযুক্তির মাধ্যমে স্বামীজির ঐশ্বরিক উপস্থিতি দেখে তার মনে হয়েছে যেন তিনি ৩৩ বছর আগের স্মৃতিতে ফিরে গেছেন।
স্মৃতিচারণ করে মোদি জানান, ১৯৯৩ সালের ফেব্রুয়ারি বা মার্চ মাসে শিকাগোর বিশ্ব ধর্ম মহাসভার শতবর্ষ উদযাপনে আমন্ত্রণের জন্য তিনি প্রথম স্বামী চিন্ময়ানন্দের সাথে সাক্ষাৎ করেছিলেন। স্বামীজি সেই আমন্ত্রণ গ্রহণ করলেও দুর্ভাগ্যবশত অনুষ্ঠান শুরুর কয়েক সপ্তাহ আগে, ১৯৯৩ সালের ৩ আগস্ট পরলোকগমন করেন।
তিনি উল্লেখ করেন, গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী থেকে শুরু করে বিগত ২৫ বছর ধরে সরকারপ্রধান হিসেবে দেশসেবার এই যাত্রায় স্বামী চিন্ময়ানন্দের চিন্তা ও আশীর্বাদ সর্বদা তাঁর অনুপ্রেরণা হিসেবে কাজ করেছে।
উল্লেখ্য, ২৩ থেকে ২৫ অক্টোবর পর্যন্ত আয়োজিত এই তিন দিনব্যাপী বৈশ্বিক সম্মেলনে ভারত ও বিদেশ থেকে ৯ হাজারেরও বেশি প্রতিনিধি অংশ নিচ্ছেন। ১৯৫১ সালে প্রতিষ্ঠিত চিন্ময় মিশনের ৭৫ বছরপূর্তি উপলক্ষে বছরব্যাপী আয়োজিত বিভিন্ন কর্মসূচির চূড়ান্ত সমাপনী হিসেবে এই সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।
