২২ অক্টোবর বৃহস্পতিবার চট্টগ্রামের আমিন জুট মিলস ও এশিয়াটিক কটন মিলস পরিদর্শনকালে তিনি শিল্পপ্রতিষ্ঠান দুটির সার্বিক কার্যক্রম, বিদ্যমান অবকাঠামো, উৎপাদন সক্ষমতা এবং উন্নয়নের সম্ভাবনা সম্পর্কে খোঁজখবর নেন। এ সময় তিনি চট্টগ্রামের নো ভিউ গেস্ট হাউসও পরিদর্শন করেন।
পরিদর্শনকালে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা মিল দুটির বর্তমান অবস্থা, কার্যক্রম এবং বিদ্যমান সুযোগ-সুবিধা সম্পর্কে প্রতিমন্ত্রীকে অবহিত করেন। এ সময় বস্ত্র ও পাট খাতের উন্নয়ন, শিল্প সম্পদের কার্যকর ব্যবহার এবং উৎপাদন সক্ষমতা বৃদ্ধির বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা হয়।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের বস্ত্র ও পাটশিল্পের রয়েছে দীর্ঘ ঐতিহ্য এবং বিপুল সম্ভাবনা। এ সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে হলে বিদ্যমান শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলোর অবকাঠামো, জনবল ও উৎপাদন সক্ষমতার যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে। শিল্প খাতের বিদ্যমান সমস্যাগুলো চিহ্নিত করে বাস্তবসম্মত উদ্যোগ গ্রহণের মাধ্যমে উৎপাদন ও কর্মসংস্থান বৃদ্ধির সুযোগ তৈরি করতে হবে।
তিনি আরও বলেন, পাট বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী অর্থকরী ফসল এবং পরিবেশবান্ধব প্রাকৃতিক তন্তু হিসেবে বিশ্ববাজারে এর বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে। অন্যদিকে, বস্ত্র ও টেক্সটাইল খাত দেশের শিল্পায়ন, রপ্তানি আয় এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে। এ দুটি খাতের সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে দেশীয় শিল্পের সক্ষমতা বাড়ানো এবং প্রতিযোগিতামূলক বাজারে টিকে থাকার উপযোগী পরিবেশ গড়ে তোলা প্রয়োজন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, রাষ্ট্রীয় শিল্পসম্পদের যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করা, উৎপাদনমুখী অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড সম্প্রসারণ এবং নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করা সরকারের অন্যতম লক্ষ্য। এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট করপোরেশন ও কর্মকর্তাদের সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে।
