বিশেষজ্ঞদের মতে, খেলাধুলার সুযোগ কমে যাওয়ায় শিশুদের শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্য, সামাজিক দক্ষতা এবং সৃজনশীলতার বিকাশে নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে।
গবেষকদের মতে, খেলার মাঠকে নগরজীবনের অপরিহার্য অবকাঠামো হিসেবে বিবেচনা করা উচিত। কারণ, এসব জায়গায় খেলাধুলার মাধ্যমে শিশুদের আত্মবিশ্বাস, সৃজনশীলতা, দলগতভাবে কাজ করার সক্ষমতা ও যোগাযোগের দক্ষতা গড়ে ওঠে। তবে ঢাকার পরিস্থিতি বলছে, শিশুদের বিকাশে প্রয়োজনীয় এসব সুযোগ নিশ্চিত করার বিষয়টি যথেষ্ট গুরুত্ব পাচ্ছে না।
ড্যাপ ও সিটি করপোরেশনের তথ্য অনুযায়ী, প্রায় ৬০ লাখ বাসিন্দার উত্তর সিটি কর্পোরেশন এলাকায় ৯৫০টির বেশি পার্ক ও খেলার মাঠ প্রয়োজন। অন্যদিকে ৪৩ লাখের বেশি বাসিন্দার দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন এলাকায় প্রয়োজন প্রায় ৭০০টি। রাজউকের প্রধান নগর পরিকল্পনাবিদ মো. আশরাফুল ইসলাম জানান, বিনোদনের জায়গা তৈরির জন্য সরকারি মালিকানাধীন ৫৫টি জমি চিহ্নিত করা হয়েছে এবং দুটি নতুন পার্কের কাজ শুরু হয়েছে। তবে ঢাকায় মাথাপিছু উন্মুক্ত জায়গা মাত্র ০.৬ বর্গমিটার বলে উল্লেখ করেন তিনি।
স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, নিরাপদ খেলার জায়গার অভাবে শিশুরা ক্রমেই মুঠোফোন ও অন্যান্য ডিজিটাল ডিভাইসের ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ছে। এতে ঘুমের সমস্যা, মেজাজের পরিবর্তন, সামাজিক দক্ষতার বিকাশে বাধা, স্থূলতা ও ভিটামিন ডির ঘাটতির মতো ঝুঁকি তৈরি হতে পারে।
