ফেসবুক স্ট্যাটাসে তিনি লিখেছেন, ‘নিচের ছবিটি কেউ একজন তৈরি করে ফেসবুকে ছড়িয়ে দিয়েছে বিভাজন আর ঘৃণা উসকে দিতে।’
বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে ছবিটি পোস্ট করার পাশাপাশি ধর্ম ও মানুষের আচরণ নিয়ে ২২টি বচনও তুলে ধরেছেন এই সংসদ সদস্য।
তাঁর অভিযোগ, বিভাজন ও ঘৃণা ছড়ানোর উদ্দেশ্যে ছবিটি তৈরি করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। যারা ঘৃণা ছড়ানোকে ধর্মীয় আচরণ বলে মনে করেন, তাঁদের উদ্দেশে তিনি বিভিন্ন অপরাধ ও অনৈতিক কর্মকাণ্ডের প্রসঙ্গ তুলে ধরেন।
ঘুষ, প্রতারণা, হত্যা, শিশু নির্যাতন, নারীর প্রতি সহিংসতা, সম্পদ লুট, খাদ্যে ভেজাল ও অন্যের অধিকার হরণের মতো বিষয় উল্লেখ করে এসব ক্ষেত্রে ধর্মীয় মূল্যবোধ নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয় না কেন—তা ব্যঙ্গাত্মকভাবে তুলে ধরেন তিনি। ছবির সঙ্গে বিশেষ দ্রষ্টব্যে তিনি লেখেন, ‘মা দুর্গা দশভুজা, আটভুজা না। যাই হোক মূর্খের সমাজ, কি আর করা।’
