শনিবার(২৪অক্টোবর) সকাল ১০টায় তারাকান্দা হাসপাতালে পরিদর্শনে গিয়ে তিনি সাধারণ মানুষের চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করতে এবং হাসপাতালে যেকোনো ধরনের অনিয়ম ও অবহেলা বন্ধে করা হুঁশিয়ারি দেন।
উপজেলা পর্যায়ে সেবার পরিধি বাড়ানোর বিষয়ে জোর দিয়ে মন্ত্রী বলেন,গ্রামীণ প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর দোড়গোড়ায় মানসম্মত চিকিৎসা পৌঁছে দিতে দেশের প্রতিটি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে শয্যা সংখ্যা ও লজিস্টিক সাপোর্ট বাড়ানোর পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে এবং কমিউনিটি ক্লিনিক বলে কোন নাম থাকবে না। এটিকে আমরা ফ্যামিলি ওয়েলফেয়ার সেন্টার করবো।
এসময় তিনি জানান, এই সেন্টারগুলো থেকে গ্রামীণ জনগণের জন্য বিনামূল্যে বিতরণ করা ওষুধের তালিকায় নতুন কিছু প্রয়োজনীয় ওষুধ যুক্ত করা হবে। বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে প্রণীত 'কমিউনিটি ক্লিনিক স্বাস্থ্য সহায়তা ট্রাস্ট আইন, ২০১৮' বাতিল বা সংশোধন করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ট্রাস্ট মডেলের পরিবর্তে এই কেন্দ্রগুলোকে সরাসরি সরকারের স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে এনে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়া হবে।
তিনি আরো বলেন,ফ্যাসিস্ট সরকারের ১৭ টি বছর কোন লোক বল নিয়োগ দেওয়া হয়নি। ১৭টি বছর শুধু স্বাস্থ্য খাতে লুটপাট ও চুরি করা হয়েছে। উপজেলা হাসপাতাল গুলোকে ১৫১ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতাল করবো।
স্বাস্থ্য খাতের পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা সহ দুই বছরের মাঝে উপজেলা হাসপাতাল গুলোতে ডায়ালাইসিস, ফিজিওথেরাপি সহ প্রসূতি মায়েদের জন্য ২০ সিটের বরাদ্দ করা হবে বলেও জানিয়েছে স্বাস্থ্যমন্ত্রী।
