এ ঘটনায় অভিযুক্ত মাদ্রাসাশিক্ষক মোসলেম আহম্মদকে (৩০) গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। শিশুটির বাবা বাদী হয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেছেন।
পরিবারের অভিযোগ, গত ১৯ অক্টোবর মাদ্রাসার নিচতলার সিঁড়িতে শিশুটিকে যৌন নিপীড়ন করা হয়। পরে ২১ অক্টোবর স্বজনেরা মাদ্রাসায় গিয়ে অভিযুক্ত শিক্ষককে জিজ্ঞাসাবাদ করলে স্থানীয় লোকজন জড়ো হন। একপর্যায়ে শিক্ষককে মারধর করা হয়। খবর পেয়ে পুলিশ তাঁকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।
এদিকে শিক্ষককে মারধর, মাদ্রাসায় ভাঙচুর ও ১৭ লাখ টাকা লুটের অভিযোগ তুলেছে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ। তবে শিশুটির বাবা এসব অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, মেয়ের ঘটনার বিচার চাইতেই তিনি মাদ্রাসায় গিয়েছিলেন। তিনি নিজের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত, মেয়ের ঘটনার সুষ্ঠু বিচার এবং পরিবারের নিরাপত্তা দাবি করেছেন।
পুলিশ জানিয়েছে, সংগৃহীত আলামত ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্য পর্যালোচনা করে প্রাথমিকভাবে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেছে। তবে তদন্ত এখনো চলছে।
