সমাবেশ চলাকালে কাকরাইল এলাকায় সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়। অভিযোগ অনুযায়ী, আওয়ামী লীগ ও পুলিশ তাদের সমাবেশে ভয়াবহ হামলা চালায়। পরে সংঘর্ষ নয়াপল্টন ও আশপাশের এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে। একপর্যায়ে পুলিশ টিয়ার গ্যাস, সাউন্ড গ্রেনেড ও লাঠিচার্জ চালায়, যার ফলে সমাবেশস্থলে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।
প্রায় ২ ঘন্টাব্যাপি চলা এই রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে শুধু নয়াপল্টনেই পুলিশ অন্তত ৫০০টি শটগানের গুলি , ১৫৬টি টিয়ার শেল এবং ১৮টি সাউন্ড গ্রেনেড ব্যবহার করেছিল। মাত্র ২ ঘন্টায় এতো পরিমান বলপ্রয়োগ সমসাময়িক কোনো সময়েই দেখা যায় নি যা সেদিনের পরিস্থিতির ভয়াবহতা তুলে ধরে।
বিভিন্ন তথ্য অনুযায়ী, এ ঘটনায় বিএনপির প্রায় এক হাজার নেতাকর্মী আহত হন। এ ছাড়া সংঘর্ষে শামীম মোল্লা নামে এক যুবদল নেতার মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়।
ঘটনার পরদিন ২৯ অক্টোবর সারা দেশে সকাল-সন্ধ্যা হরতালের ডাক দেয় বিএনপি। নির্দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচনের দাবিতে দলটির আন্দোলনের ইতিহাসে ২৮ অক্টোবরের এই ঘটনা একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হয়ে আছে।
